বুধবার, ১২ জুন ২০২৪, ০৮:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
Logo শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে চলতি মাসের শেষে ঢাকা সফরে আসতে পারেন মোদি Logo বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত শ্রীলঙ্কা-নেপাল ম্যাচ, স্বস্তি বাংলাদেশের Logo ভারতের নতুন সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী Logo সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৮২ হাজারের বেশি হজযাত্রী, মৃত্যু ১৫ জনের Logo দোষী সাব্যস্ত বাইডেনের ছেলে, হতে পারে ২৫ বছরের কারাদণ্ড Logo জলবায়ু মোকাবিলায় ‘লোকাল অ্যাডাপটেশন চ্যাম্পিয়নস’ অ্যাওয়ার্ড পেলেন প্রধানমন্ত্রী Logo ইসরায়েলি হামলায় হিজবুল্লাহর জ্যেষ্ঠ কমান্ডার নিহত Logo সকালে যেসব জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা Logo ইয়েমেনে নৌকাডুবিতে ৩৮ অভিবাসীর প্রাণহানি, নিখোঁজ ১০০ Logo শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ

কী দিয়ে তৈরি নিখোঁজ সেই সাবমেরিন, কী আছে তাতে?

আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক / ৭৬
আপডেট : বুধবার, ২১ জুন, ২০২৩, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ণ

আটলান্টিক মহাসাগরের অতল গভীরে হারিয়ে যাওয়া সাবমেরিনটির এখনও (রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত) কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। সমুদ্রের নিচে পড়া থাকা টাইটানিক জাহাজের ধ্বংসাবশেষের কাছে যাওয়ার কথা ছিল সাবমেরিনটির। কিন্তু গত রবিবার সমুদ্রে ডুব দেওয়ার ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট পরই সেটি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর রবিবার, সোমবার এবং মঙ্গলবার পেরিয়ে বুধবার চলে আসলেও এখনও (রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত) সেটির কোনও সন্ধান মেলেনি।

সময় দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। ‘টাইটান সাবমার্সিবল’ নামের ওই ডুবোজাহাজে আর মাত্র ৩০ ঘণ্টার অক্সিজেন অবশিষ্ট আছে। ফলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ওই সাবমেরিনে থাকা আরোহী জীবিত উদ্ধারের আশাও ক্ষীণ হয়ে আসছে।

কী দিয়ে তৈরি নিখোঁজ সেই টাইটান সাবমেরিন?

টাইটান ডুবোজাহাজটি ‘ওশানগেট এক্সপিডিশন’ নামের একটি পর্যটন সংস্থা তৈরি করেছে। ২২ ফুটের এই ডুবোজাহাজ তৈরি করা হয়েছে কার্বন ফাইবার ও টাইটানিয়াম ধাতু দিয়ে তৈরি। আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার মার্শাল স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের ইঞ্জিনিয়াররা ওশানগেটের ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে যৌথভাবে এই ডুবোজাহাজ তৈরি করেন।

টাইটানের দৈর্ঘ্য ৬.৭ মিটার, প্রস্থ ২.৮ মিটার এবং উচ্চতা ২.৫ মিটার। সমুদ্রের ৪ হাজার মিটার গভীরতা পর্যন্ত নামতে সক্ষম এই ডুবোযান।

সাবমেরিনটির ওজন ১০,৪৩২ কেজি এবং এটি সর্বোচ্চ তিন নটিকাল মাইল গতিতে ভ্রমণ করতে পারে।

টাইটানের অন্দরে রয়েছে ১০০২টি বৈদ্যুতিক থ্রাস্টার। পাশাপাশি রয়েছে সামুদ্রিক রেফিন ক্যামেরা, ৪০ হাজার লাইট এবং একটি রোবোটিক্স লেজার স্ক্যানার।

জাহাজটির অন্দর ছোট হওয়ায় ইঞ্জিন এবং বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ মূলত বাইরের দিকে রয়েছে। ডুবোজাহাজটির ভিতরে একটি শৌচালয় রয়েছে।

টাইটান একটি শক্তিশালী প্লেস্টেশন কন্ট্রোলার দ্বারা পানির উপরে থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়। যদিও ডুবোযানটিতে নেই কোনও জিপিএস ব্যবস্থা।

বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, মেসেজের মাধ্যমে ট্র্যাকিং দলের সঙ্গে যোগাযোগ করে টাইটান যা একটি ‘আল্ট্রা-শর্ট বেসলাইন (ইউএসবিএল)’ সিস্টেমের মাধ্যমে তথ্য বিনিময় করতে সক্ষম।

ওই ডুবোজাহাজে যে ক্যামেরাগুলো লাগানো রয়েছে সেগুলোর সাহায্যে সমুদ্রের উপর থেকে জাহাজের গতিবিধির উপর নজর রাখা হয়।

টাইটানে একটি মাত্র বোতাম (সুইচ) রয়েছে। বাকি সব কিছু নিয়ন্ত্রিত হয় ‘টাচ স্ক্রিন’ এবং কম্পিউটারের সাহায্যে।


এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

Theme Customized By Theme Park BD