মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১০:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
Logo কাজী নাসরিনের প্রার্থীতা ঘোষণা Logo অ্যাডভোকেট আরিফা আক্তার বিথির আনুষ্ঠানিক প্রার্থী ঘোষণা Logo তাহারা কি আই‌নের উ‌র্দ্ধে ? ফ‌রিদুল মোস্তফা Logo কালকিনি (মাদারীপুর) উপজেলার বাঁশগাড়ী ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী খাসেরহাট সৈয়দ আবুল হোসেন স্কুল এন্ড কলেজের প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান -২০২৪ অনুষ্ঠিত Logo মাদারীপুর ৩ আসনের এমপি মোছাম্মৎ তাহমিনা বেগমের আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিমের সাথে ঈদ পরবর্তী সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় Logo মাদারীপুরের কালকিনির রমজানপুর ইউনিয়নে “আব্দুর রব তালুকদার -মাহমুদা বেগম ফাউন্ডেশন” এর ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ Logo ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস Logo বাড়ি ফিরছে মানুষ, ফাঁকা হচ্ছে ঢাকা Logo গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত শহর হারাল মিয়ানমার জান্তা, বাঁচলো আত্মসমর্পণ করে Logo ব্রাজিলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায়

ঘুরে দাঁড়াবে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৬৯
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৩, ৯:৫১ পূর্বাহ্ণ

বিগত এক যুগের বেশি সময় ধরে ধারাবাহিকভাবে গণমুখী ও টেকসই নীতির ভিত্তিতে সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা চলমান থাকায় বাংলাদেশ এখন কেবল দক্ষিণ এশিয়া বা এশিয়া নয়, বরং পুরো বিশ্বেই সবচেয়ে দ্রুত বর্ধিষ্ণু অর্থনীতিগুলোর একটি হিসেবে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে এটাও মানতে হবে যে, আমাদের অর্থনীতি এখন বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে গভীরভাবে সংযুক্ত। তাই বিশ্ব অর্থনীতির সাম্প্রতিক উথাল-পাথালের ধাক্কা বেশ খানিকটা বাংলাদেশের ওপর পড়েছে এবং আগামীতেও পড়বে। একদিকে করোনা সংকট এবং অন্যদিকে ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেল, খাদ্য ও সারের দামের বড় উল্লম্ফন ঘটেছিল ২০২২ সালে। তার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। বিশ্ব পণ্যমূল্য কমতে শুরু করেছে।

আশা করা যায়, আমদানি করা এসব পণ্যের কমতি দামের ইতিবাচক প্রভাব বাংলাদেশেও পড়বে। আমদানিজনিত মূল্যস্ফীতি খানিকটা হলেও কমবে সদ্য শুরু হওয়া ২০২৩ সালে। তবে ২০২৩ সালে বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ দেশে ভয়াবহ মন্দা বিরাজ করবে বলে সদ্য আইএমএফপ্রধান জানিয়েছেন। এ আশঙ্কাকে ছোট না করেও এ কথা বলতে দ্বিধা নেই যে, বাংলাদেশ ২০২২ সালে তার আত্মশক্তির বলে বিশ্ব অর্থনীতির চ্যালেঞ্জগুলো বেশ ভালোভাবেই মোকাবিলা করেছে। আশা করা যায়, তার নিজস্ব সক্ষমতার বলে নতুন বছরেও বিশ্ব অর্থনীতির চলমান চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করে তার অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারা অক্ষুণœ রাখতে সক্ষম হবে।

বছর শেষে আমরা লক্ষ করেছি- খাদ্য উৎপাদন, রপ্তানি ও প্রবাসী আয় বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ইতিবাচক ধারা বজায় রেখেছে। চলতি বছরেও এ ধারাকে আরও বেগবান করে বাংলাদেশ তার অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিকে আরও স্থিতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাখতে পারবে বলে আমার বিশ্বাস। এ জন্য দেশের ভেতরে সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে রাখার কোনো বিকল্প নেই। মনে রাখতে হবে, সুস্থির সমাজেই অর্থনৈতিক কর্মকা-ের প্রবাহ জোরদার হয়। নিঃসন্দেহে অর্থনীতির বাইরের এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার ক্ষেত্রে সরকারের একা দায়বদ্ধ করা ঠিক হবে না। অন্যান্য অংশীজনকেও দেশের অর্থনীতির গতি যাতে ব্যাহত না হয়, সেদিকে নজর রাখতে হবে। অনেক বছর ধরে বাংলাদেশের অর্থনীতি সামাজিক ও রাজনৈতিক শান্তির ‘ডিভিডেন্ড’ পেয়েছে। এই ধারা অব্যাহত থাকুক, সেটিই আমাদের সবার কাম্য।

আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এবং বাংলাদেশ সরকারের অর্থ বিভাগের প্রক্ষেপণ মতে, চলতি অর্থবছরের প্রবৃদ্ধির হার ৬ দশমিক ৫ শতাংশের মতো হবে। ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতির যদি আরও অবনতি না হয় এবং দেশের ভেতরে অযথা অশান্তি ও গুজব ছড়ানোর অপচেষ্টা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, তা হলে এ প্রবৃদ্ধির হার অর্জন করা খুবই সম্ভব। এ জন্য যেসব জায়গায় আমাদের অর্থনীতির শক্তি নিহিত, সেসব জায়গায় আরও বেশি নীতি সমর্থন দিয়ে যেতে হবে। শিশু ও মাতৃমৃত্যু হার, শিক্ষার হার, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার, গড় আয়ু ও মাথাপিছু আয়- এমন সব মানবিক এবং অর্থনৈতিক সূচকে বিশেষ করে গত কয়েক বছর ধরেই আমরা ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছি। মূলত আমাদের অবকাঠামোগত সংযোগ বা কানেক্টিভিটিতে ব্যাপক উন্নতি ঘটেছে, মানব উন্নয়নে সরকারি ও অসরকারি নীতি-মনোযোগ বেড়েছে এবং আমাদের অভ্যন্তরীণ ভোগ ও চাহিদা যথেষ্ট বেড়েছে বলেই এসব সূচকে নাটকীয় অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে। দিনবদলের অঙ্গীকারকে বাস্তবে রূপায়ণ করা গেছে বলেই এ সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ।

অদূর ভবিষ্যতেই আমাদের প্রবৃদ্ধি ও বিনিয়োগে বড় ধরনের উল্লম্ফন ঘটবে যদি ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে সামষ্টিক অর্থনীতির সুরক্ষা নিশ্চিত করা যায়। তবে ইউরোপে আরও দীর্ঘকাল ধরে যুদ্ধ চললে সেখানকার অর্থনীতি বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। এর প্রভাবে আমাদের রপ্তানি চাহিদায় কিছুটা ভাটা পড়তে পারে। এমন বাস্তবতায় আমাদের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির দিকেই বেশি করে মনোযোগ দিতে হবে। সব সংকটে রক্ষাকবচ হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত আমাদের কৃষি খাতকে দেওয়া সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগ-সমর্থন অব্যাহত রাখতে হবে। বর্তমানে মূল্যস্ফীতি নিঃসন্দেহে বড় চ্যালেঞ্জ। আমদানিজনিত মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য আমরা জ্বালানি ও খাদ্য আমদানিতে যথেষ্ট ভর্তুকি দিয়ে চলেছি। নতুন বছরে এই ভর্তুকির ধারা সচল রাখাটিই হবে বড় চ্যালেঞ্জ। হয়তো নতুন বছরেও মূল্যস্ফীতির চাপ খানিকটা রয়েই যাবে।

তবে হয়তো তা আগের চেয়ে কম হবে। কেননা বিশ্ব মূল্যস্ফীতি কমছে। কিন্তু ডলারের দাম সেভাবে কমছে না। তাই আমদানি কমিয়েই লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষা করার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। এ চেষ্টা অব্যাহত রেখেও ভুলে গেলে চলবে না যে, আমদানি নিয়ন্ত্রণ উদ্যোগের কারণে অনেক উদ্যোক্তা ও তাদের উদ্যোগে নিযুক্ত শ্রমিক-পেশাজীবীদের অনেকের আয়-রোজগার এবং কর্মসংস্থানের ওপর বেশ খানিকটা চাপ পড়েছে। তাই আমদানিকৃত কাঁচামালের সরবরাহ যাতে মসৃণ থাকে, সেদিকটিতে নজর রাখা জরুরি। রপ্তানিপ্রবাহ ঠিক রাখার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক যে দশ হাজার কোটি টাকার রপ্তানি সহায়ক তহবিল গঠন করেছে, তা খুবই সময়োপযোগী পদক্ষেপ। এভাবেই আমাদের মুদ্রানীতিকে সব সময় মাল্টিটার্গেটধর্মী রাখতে হবে।

শুধু মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একমাত্র কাজ হতে পারে না। উন্নয়নশীল দেশে উন্নয়নের দিকেই বেশি মনোনিবেশ করতে হবে। তবে মূল্যস্ফীতিকেও উপেক্ষা করা যাবে না। দুটি বিষয়কেই খুবই ভারসাম্যপূর্ণ নীতিচর্চার মাধ্যমে সামাল দেওয়ার কোনো বিকল্প আসলে নেই। তবে নতুন বছরে সবচেয়ে বেশি দরকার আর্থিক খাতের সুশাসন ও স্থিতিশীলতা। এ জন্য এই খাতের অংশীজনরা যেন ব্যাসেল-০৩ নীতি মেনে তাদের পুঁজির ভিত্তি জোরদার করেন এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় আরও বেশি করে মনোযোগ দেন, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আমাদের আর্থিক খাতের সম্পদগুলোর গুণমান বজায় রাখতে যে ধরনের তত্ত্বাবধায়ন ও মনিটরিং দরকার, তা নিশ্চয়ই দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক করবে।

সরকারকেও এ ক্ষেত্রে অনেক বেশি সহায়ক ভূমিকায় থাকতে হবে। কেননা আর্থিক খাতে আস্থার পরিবেশ যাতে বজায় থাকে- এ জন্য সরকার, উদ্যোক্তা ও গণমাধ্যমসহ সব অংশীজনকেই সচেতন ভূমিকা পালন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সংস্কারে সবাইকে সহায়ক মনোভাব দেখাতে হবে।

নতুন বছরে আমাদের সামনে যেমন নতুন চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তেমনি রয়েছে অমিত সম্ভাবনাও। চ্যালেঞ্জগুলোর বিষয়ে সংবেদনশীল তো হতেই হবে। একই সঙ্গে সম্ভাবনাগুলো বিবেচনায় নিয়ে সব অংশীজনকেই আত্মবিশ্বাসী হতে হবে। বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই আমাদের এগিয়ে যাওয়ার জন্য মানসিক প্রস্তুতি রাখতে হবে। সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী পর্যায় থেকে সংকট মোকাবিলার এমন বার্তাই দেওয়া হচ্ছে। তাই ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্প ২০২২-এর সফল বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় সরকার এখন ২০৪১ সালের মধ্যে ‘উদ্ভাবনী ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে ব্রতী হয়েছে।

আশার কথা এই যে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আদলে আমাদের অর্থনীতিতেও নয়া গতির উত্থান আমরা দেখতে পাচ্ছি। সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ড আশি-নব্বইয়ের দশকে মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৪০০ ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার পর যে পথে এগিয়ে ওই মাথাপিছু আয়কে ৪ হাজার ডলারের ওপর নিয়ে গেছে, এই দশকে বাংলাদেশও সে পথে এগোনোর সম্ভাবনা তৈরি করেছে (বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৮০০ ডলার ছাড়িয়েছে)। এই পথে এগিয়ে যেতে পারলে ২০২৬ সালের মধ্যে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ৪ হাজার ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে পদ্মা সেতু, কালনা সেতু, এসইজেড, এক্সপ্রেসওয়ে, মেট্রোরেলের মতো মেগা প্রজেক্টগুলোর সরাসরি সুফল ভোগ করবেন এ দেশের প্রায় ৩৩ শতাংশ নাগরিক। পোর্ট হ্যান্ডলিং ক্যাপাসিটি ৭০ শতাংশ বাড়বে। আর এর ফলে বন্দরে মালপত্র খালাসের সময় অর্ধেকে নেমে আসবে (৪০ থেকে কমে ১৬ দিন হবে)।

বৃহৎ কানেক্টিভিটি প্রকল্পের কারণে এ বছর থেকেই প্রতিবছর জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে অন্তত ১ দশমিক ২ শতাংশ যোগ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বোস্টন কনসালট্যান্সি গ্রুপের হালের একটি প্রতিবেদনের মতে, প্রবৃদ্ধি দুই অঙ্কের ঘরে থাকলে ২০৩০ সালের মধ্যে এ দেশের জিডিপির আকার এক ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াবে। আর যদি প্রবৃদ্ধির হার ৫ শতাংশও হয়, তা হলেও ২০৪০ সালে অর্থনীতি এক ট্রিলিয়ন ছাড়াবে। ২০২০ সালে বাংলাদেশে মধ্যম ও উচ্চআয়শ্রেণিতে থাকা নাগরিকের সংখ্যা ছিল ১৯ মিলিয়ন। ২০২৫ সালে তাদের সংখ্যা বেড়ে হবে ৩৪ মিলিয়ন।

উচ্চতর আয়শ্রেণিতে যাওয়া মানুষের সংখ্যা যত বাড়বে, তাদের প্রযুক্তিনির্ভর ও ব্র্যান্ডেড পণ্যের চাহিদাও তত বাড়বে। ফলে বাড়ন্ত বাজার হিসেবে বাংলাদেশের সম্ভাবনাও আরও বাড়বে। আর এর ফলে গত ১০-১২ বছরে যে গতিতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে, আগামীতে তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি হারে বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়বে বলে আশা করা যায়। আবারও বলছি, আমাদের অর্থনীতি মূলত অভ্যন্তরীণ ভোগ ও চাহিদানির্ভর। তাই রপ্তানির পাশাপাশি দেশজ অর্থনীতির ওপর সমান জোর নিশ্চিত করলেই সম্ভাবনাগুলোকে বাস্তবে রূপ দিতে বেগ পেতে হবে না।

‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’-এর পথনকশা ধরে এগিয়ে বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতির অন্তর্ভুক্তিমূলক অগ্রযাত্রা সাফল্যের মুখ দেখেছে। এ কারণেই করোনাজনিত সংকট আর চলমান ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ অন্য অধিকাংশ দেশের চেয়ে ভালো করেছে। নতুন বছরের শুরুতে আমাদের সামনে এসেছে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’-এর রূপকল্প। এই স্মার্ট বাংলাদেশে গ্রামীণ ও নগর উন্নয়ন হতে হবে প্রযুক্তি এবং জলবায়ুবান্ধব। সব অর্থেই এ অভিযাত্রা হতে হবে সবুজ এবং এর প্রধানতম অনুষঙ্গ হতে হবে সৌরবিদ্যুৎসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানি। ডিজিটাল আর্থিক ও প্রশাসনিক সেবার মান উন্নয়নে বাংলাদেশ যথেষ্ট ডিজিটাল অবকাঠামো বাস্তবায়ন করে চলেছে। এখন এ অর্জনকে কাজে লাগিয়ে সব অংশীজনের পার্টনারশিপ গড়ে তোলাই হবে প্রধান কৌশল। তবে আমার বিশ্বাস, বাস্তবমুখী আত্মশক্তিনির্ভর এ রূপকল্পের পথনকশা ধরে এগিয়ে সামনের চ্যালেঞ্জগুলোও আমরা একইভাবে মোকাবিলা করতে পারব। আর এ অভিযাত্রার শুরু হোক ২০২৩ সাল থেকেই। তাই এ নতুন বছরটি হবে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’-এর ঘুরে দাঁড়ানোর বছর- এ প্রত্যাশাই রাখি।


এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

Theme Customized By Theme Park BD