বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ০৩:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
Logo তাহারা কি আই‌নের উ‌র্দ্ধে ? ফ‌রিদুল মোস্তফা Logo কালকিনি (মাদারীপুর) উপজেলার বাঁশগাড়ী ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী খাসেরহাট সৈয়দ আবুল হোসেন স্কুল এন্ড কলেজের প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান -২০২৪ অনুষ্ঠিত Logo মাদারীপুর ৩ আসনের এমপি মোছাম্মৎ তাহমিনা বেগমের আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিমের সাথে ঈদ পরবর্তী সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় Logo মাদারীপুরের কালকিনির রমজানপুর ইউনিয়নে “আব্দুর রব তালুকদার -মাহমুদা বেগম ফাউন্ডেশন” এর ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ Logo ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস Logo বাড়ি ফিরছে মানুষ, ফাঁকা হচ্ছে ঢাকা Logo গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত শহর হারাল মিয়ানমার জান্তা, বাঁচলো আত্মসমর্পণ করে Logo ব্রাজিলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় Logo আমিরাতে সোমবার শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার আহ্বান Logo ঈদের আগে বাড়লো মুরগির দাম

জ্বালানি তেলের দাম আবার বাড়ছে কেন

রবিউল আওয়াল (স্টাফ রিপোর্টার) / ১৬৭
আপডেট : শনিবার, ৪ জুন, ২০২২, ৯:১২ পূর্বাহ্ণ

এ ছাড়া এর মাধ্যমে রাশিয়ার বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সবচেয়ে লাভজনক উৎসের একটিকেও ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। ইইউ হলো রাশিয়ার সবচেয়ে বড় তেলের বাজার। রাশিয়া যে জ্বালানি তেল রপ্তানি করে তার অর্ধেকের ক্রেতা ইউরোপের দেশগুলো।
তবে ইইউর এ নিষেধাজ্ঞা ক্রেমলিনকে অনেক বৈদেশিক মুদ্রা থেকে বঞ্চিত করবে বলা হলেও এ নিয়ে সন্দেহ করার যথেষ্ট কারণও রয়েছে। কারণ, শুরুতে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে শুধু সমুদ্রপথে ট্যাংকারের মাধ্যমে যে তেল সরবরাহ হয়, তার ক্ষেত্রে। পাইপলাইন দিয়ে সরবরাহকৃত তেল নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে না।

এর কারণ অন্য ইইউ দেশগুলোর চেয়ে রাশিয়ার প্রতি দরদ বেশি থাকা হাঙ্গেরিকে ছাড় দেওয়া। সোভিয়েত আমলে নির্মিত দ্রুজবা (রুশ ভাষায় অর্থ বন্ধুত্ব) পাইপলাইন দিয়ে রাশিয়া থেকে হাঙ্গেরিতে তেল সরবরাহ করা হয়। রাশিয়ার তেলের ওপর হাঙ্গেরি অনেক বেশি নির্ভরশীল। হাঙ্গেরির মোট চাহিদার প্রায় ৬৫ শতাংশ তেল আসে রাশিয়া থেকে।

রাশিয়া থেকে সমুদ্রপথে সমপরিমাণ তেল আমদানি করে ইইউ। কিন্তু ইইউর নিষেধাজ্ঞা বাজারে ততটা প্রভাব ফেলবে না। ইতিমধ্যে পশ্চিমে অনেক ট্যাংকার ‘স্বেচ্ছা নিষেধাজ্ঞায়’ পড়েছে। কারণ বন্দরকর্মীরা রাশিয়ার কার্গো বহনকারী জাহাজ থেকে মাল খালাস করতে চাচ্ছেন না। প্রধান তেল কোম্পানিগুলো রাশিয়ার তেলের চালান নিয়ে সুনাম নষ্ট হওয়ার ভয়ে চিন্তিত। পশ্চিমা কোম্পানিগুলো বীমা চুক্তি করতে চাচ্ছে না। রাশিয়ার মিত্র দেশের বীমা কোম্পানিগুলো অংশত তাদের জায়গা নিতে পারলেও তাদের কাছে এত অর্থ নেই।


এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

Theme Customized By Theme Park BD