শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ০৭:২০ পূর্বাহ্ন

লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসকের সৃজনশীল উদ্ভাবন স্বপ্নযাত্রা ও হেলথ কার্ড

আনোয়ার হোসেন, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি। / ১৭৬
আপডেট : সোমবার, ৩০ মে, ২০২২, ৮:৫৭ পূর্বাহ্ণ

 

লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক মো: আনোয়ার হোছাইন আকন্দের সৃজনশীল উদ্ভাবন এবং যুগান্তকারী পদক্ষেপ জেলার প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে স্বপ্নযাত্রা এ্যাম্বুলেন্স ও জেলার সকল প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীদের অ্যাপস ভিত্তিক হেলথ স্ক্রিনিংয়ের আওতায় এনে স্বাস্থ্য কার্ড প্রদান।

একই ফ্রেমে বাধা দুটি শব্দ উন্নয়ন ও স্বাস্থ্য। বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য খাতকে অধিক প্রাধাণ্য দিয়ে দারিদ্র দূরীকরণ, নারীর ক্ষমতায়ন, জেন্ডার সমতা, মাতৃস্বাস্থ্য সেবা, শিশু মৃত্যু হার শুন্যে নিয়ে আসা, টিকাদান কর্মসূচী, পরিবার পরিকল্পনা সহ নানান কর্মসূচী পরিচালনা করে আসছে। সরকার বিগত কয়েক বছরে ভ্যাকসিনেশন, শিশু ও মাতৃ মৃত্যু হ্্রাস ও প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবায় অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধন করেছে। সফল নেতৃত্ব ও সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এমডিজির সকল লক্ষ্য গুলো অর্জন করেছে সরকার। যার ফলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভ্যাকসিন হিরো, সাউথ পুরষ্কার সহ বেশ কয়েকটি এ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন।

আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে সরকার অর্জন করবে সাসটেইনেবল ডেবলপমেন্ট গোল বা এসডিজি এর লক্ষ্যমাত্রা।

এ ক্ষেত্রে সরকার প্রাধাণ্য দিয়ে তৃণমূলের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতে কাজ করছে। গ্রামীণ, দূর্গম বা পাহাড়ী এলাকার মানুষের কাছে স্বাস্থ্য সেবা পৌছে দিতে সরকার এবং স্থানীয় প্রশাসন গ্রহন করেছে নানামূখী পদক্ষেপ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর “ আমার গ্রাম আমার শহর” বাস্তবায়নের জন্য লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক মো: আনোয়ার হোছাইন আকন্দ এর পরিকল্পনায়, নির্দেশনায় এবং উদ্যেগে গ্রহন করা হয়েছে অ্যাপস ভিত্তিক এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস “স্বপ্নযাত্রা” ও অ্যাপস ভিত্তিক হেলথ কার্ড । যার মাধ্যমে পুরো জেলার তৃণমূলের বা দূর্গম চরাঞ্চল ও রিমোট বা প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব। হেলথ কার্ডের মাধ্যমে পুরো জেলার সকল মাধ্যমিক ও প্রাথমিকের সকল শিক্ষার্থীকে নিয়ে আসা হয়েছে স্বাস্থ্য সেবার আওতায়।

এ মহতি দূরদর্শী উদ্যেগ সন্দেহাতীত ভাবে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।
এ মহতি উদ্যেগের সূচনা কেন্দ্র বা সূতিকাগার রামগতি উপজেলার চর বাদাম ইউনিয়ন। দুটি পদক্ষেপই তিনি শুভ সূচনাস্থল হিসেবে বেছে নেন রামগতি উপজেলাকে।

প্রথম এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস চালু করে রামগতি উপজেলার চর বাদাম ইউনিয়নে। আর শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য কার্ড চালু করেন একই ইউনিয়নের পশ্চিম চর সীতা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। চর বাদাম ইউনিয়নে এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস চালুর পর জেলা প্রশাসন, সদর, রামগতি উপজেলা প্রশাসনের
অর্থায়নে এরমধ্যে ৭টি এ্যাম্বুলেন্স বিতরন করা হয়েছে। এছাড়া রামগতি উপজেলার চর আবদুল্যা ইউনিয়নের দ্বীপ চর গজারিয়ার জন্য একটি ওয়াটার এ্যাম্বুলেন্স সহ আরো ৩টি এম্বুলেন্স ক্রয়ের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্বল্প খরচে অসুস্থ ব্যক্তিকে জেলার প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে ঢাকা, চট্রগ্রাম, কুমিল্লা, নোয়াখালীর হাসপাতালে নেয়া বা সুস্থ রোগীকে বাড়ী ফিরতে অথবা মৃত ব্যক্তির লাশ পরিবহনে অ্যাপস বা সরাসরি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে “স্বপ্নযাত্রা”র এ সেবা পাবেন জেলাবাসী।

লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক মো: আনোয়ার হোছাইন আকন্দ জানান, জেলার অসহায় তৃণমূলের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে অ্যাপস ভিত্তিক এম্বুলেন্স সেবা চালু করা হয়েছে। যা সফল রাষ্ট্রনায়ক মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মানে এটি অনন্য ভূমিকা রাখবে।

 


এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

Theme Customized By Theme Park BD