মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১১:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
Logo কাজী নাসরিনের প্রার্থীতা ঘোষণা Logo অ্যাডভোকেট আরিফা আক্তার বিথির আনুষ্ঠানিক প্রার্থী ঘোষণা Logo তাহারা কি আই‌নের উ‌র্দ্ধে ? ফ‌রিদুল মোস্তফা Logo কালকিনি (মাদারীপুর) উপজেলার বাঁশগাড়ী ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী খাসেরহাট সৈয়দ আবুল হোসেন স্কুল এন্ড কলেজের প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান -২০২৪ অনুষ্ঠিত Logo মাদারীপুর ৩ আসনের এমপি মোছাম্মৎ তাহমিনা বেগমের আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিমের সাথে ঈদ পরবর্তী সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় Logo মাদারীপুরের কালকিনির রমজানপুর ইউনিয়নে “আব্দুর রব তালুকদার -মাহমুদা বেগম ফাউন্ডেশন” এর ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ Logo ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস Logo বাড়ি ফিরছে মানুষ, ফাঁকা হচ্ছে ঢাকা Logo গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত শহর হারাল মিয়ানমার জান্তা, বাঁচলো আত্মসমর্পণ করে Logo ব্রাজিলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায়

লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেন পিরোজপুরের গর্ব

মোঃ নুর উদ্দিন শেখ,(পিরোজপুর প্রতিনিধি)   / ২৫৭
আপডেট : সোমবার, ২৮ মার্চ, ২০২২, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ

 

-২৬ মার্চ, শহীদ লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেন ১৯৭১ সালে এই দিনে ঢাকার এ্যালিফ্যান্ট রোডের বাসায় পাকিস্তানি সেনাদের হাতে নির্মমভাবে শহীদ হন।

 

 

 

 

তাকে প্রথমে গুলি করে পরে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে মারা হয়। লাশটিও জীপে করে নিয়ে যায় বর্বর পাকিস্তানি হায়েনার দল।

শহীদের লাশটিও তার পরিবার আর পায়নি। লেঃ কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেন -১৯৩২ সালের -১৮ সেপ্টেম্বর পিরোজপুর জেলা সদরে ধুপপাশা মোল্লা বাড়িতে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন।

 

 

 

 

তিনি ছিলেন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত স্বাধীনতাকামী ও বীর শহীদ। পাকিস্তান নৌবাহিনীতে চাকরিকালে বাঙালি ও অবাঙালিদের মধ্যে সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে অযৌক্তিক বৈষম্য লক্ষ করে তিনি ক্ষুব্ধ হন। একপর্যায়ে বাঙালি অফিসার ও সেনাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য নিয়মতান্ত্রিকভাবে তাঁর অভিমত প্রকাশ করেন।
এর ফলে তিনি পাকিস্তানি, বিশেষত পাঞ্জাবিদের বিরাগভাজন হন।

 

 

 

পরবর্তী সময়ে তাঁকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় জড়িত করে -১৯৬৭ সালে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ছিলেন আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার -২ নম্বর আসামি।
বাঙালি জাতির সর্বকালের শ্রেষ্ঠ সন্তান বঙ্গবন্ধু ছিলেন এই মামলার -১ নং আসামি, -১৯৬৯ সালে গণ-আন্দোলনের চাপে বঙ্গবন্ধু ও তাঁকেসহ সব আসামিকে সরকার মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। তখন তিনি লে. কমান্ডার ছিলেন।

 

 

 

 

 

তাঁকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। -১৯৭০ সালে তাঁর নেতৃত্বে গঠিত হয় লাহোর প্রস্তাব বাস্তবায়ন কমিটি। -১৯৭১ সালের -২৬ মার্চ ভোরে বর্বর পাকিস্তানি সেনারা তাঁর -৩৬ এলিফ্যান্ট রোডের বাসায় হামলা চালিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। আমরা কেউ এই মহান ব্যক্তির শহীদ দিবসে শ্রদ্ধা ও ভালবাসা দেখাতে পরিনি।

তার স্মৃতি রক্ষায় উল্লেখযোগ্য তেমন কিছু করা হয়নি। জেলা প্রশাসন বলেছেন তার গ্রামের বাড়িটিতে একটা স্মৃতি যাদুঘর করবেন।গ্রামে গিয়ে দেখাগেল বাড়িটি ভাঙাচোরা কিছুদিন পরে হয়তো মাটিতে মিশে যাবে। আর এমনিভাবেই আমরা ভুলে যাবো জাতির এই শ্রেষ্ঠ সন্তানকে।

 

 


এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

Theme Customized By Theme Park BD