বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ১২:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
Logo তাহারা কি আই‌নের উ‌র্দ্ধে ? ফ‌রিদুল মোস্তফা Logo কালকিনি (মাদারীপুর) উপজেলার বাঁশগাড়ী ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী খাসেরহাট সৈয়দ আবুল হোসেন স্কুল এন্ড কলেজের প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান -২০২৪ অনুষ্ঠিত Logo মাদারীপুর ৩ আসনের এমপি মোছাম্মৎ তাহমিনা বেগমের আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিমের সাথে ঈদ পরবর্তী সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় Logo মাদারীপুরের কালকিনির রমজানপুর ইউনিয়নে “আব্দুর রব তালুকদার -মাহমুদা বেগম ফাউন্ডেশন” এর ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ Logo ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস Logo বাড়ি ফিরছে মানুষ, ফাঁকা হচ্ছে ঢাকা Logo গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত শহর হারাল মিয়ানমার জান্তা, বাঁচলো আত্মসমর্পণ করে Logo ব্রাজিলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় Logo আমিরাতে সোমবার শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার আহ্বান Logo ঈদের আগে বাড়লো মুরগির দাম

হরতাল-অবরোধের প্রভাবে সবজির দরপতন

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৭৪
আপডেট : বুধবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৩, ১১:৩৫ পূর্বাহ্ণ

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চলতি বছর কপি, পটোল, লাউসহ অন্যান্য শাকসবজির ভালো ফলন হয়েছে। নীলফামারীর সৈয়দপুরের পাঁচটি ইউনিয়নের কৃষকরা প্রতি বছর এসব আবাদ করে লাভবান হলেও এবারের চিত্র ভিন্ন। দফায় দফায় হরতাল ও অবরোধের কারণে সবজি বাইরে পাঠাতে পারছেন না তারা। 

ফলে ফুলকপি, বাঁধাকপি, লাউ ও পটোলের দাম একেবারেই কমে গেছে। এতে উৎপাদন খরচ ওঠানো নিয়ে চিন্তিত কৃষকরা। কৃষি বিভাগ জানায়, চলতি মৌসুমে ১৬০ হেক্টর জমিতে ফুলকপি ও প্রায় ২০ হেক্টর জমিতে পটোলের চাষাবাদ হয়েছে। বাণিজ্যিক শহর হিসেবে খ্যাত হওয়ায় উপজেলার কৃষকরা আগাম চাষাবাদ করে লাভবান হয়। তাই তারা এবার গত মৌসুমের চেয়ে বেশি জমিতে পটোল ও ফুলকপির চাষাবাদ করেন। কিন্তু অবরোধ ও হরতালের কারণে উপজেলায় উৎপাদিত সবজি বাইরের জেলাগুলোতে পাঠাচ্ছেন না তারা।

উপজেলার বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের কৃষক রফিকুল ইসলাম জানান, তিনি দুই বিঘা জমিতে ফুলকপি চাষাবাদ করেছেন। খরচ হয়েছে প্রায় ২৫ হাজার টাকা। আর সেই কপি সৈয়দপুরে বিক্রি করেছেন মাত্র ২০ হাজার টাকায়। এতে খাটনি, সময়সহ ৫ হাজার টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে। একই কথা বলেন, বাবলু নামের অপর এক কৃষক। তিনি জানান, চার বিঘা জমিতে ফুলকপি চাষাবাদ করে খরচ হয়েছে ১ লাখ টাকা। কিন্তু তা বিক্রি করে পেয়েছেন মাত্র ৯০ হাজার টাকা। শুধু দফায় দফায় অবরোধ আর হরতালের কারণে সৈয়দপুর উপজেলার প্রায় প্রতিটি কৃষককে লোকসান গুনতে হচ্ছে মোটা অঙ্কের অর্থ।

উপজেলার বাঙালিপুর ইউনিয়নের কৃষক রবিউল জানান, এবারে মোট তিন একর জমিতে পটোলের চাষাবাদ করেন। শুরুর দিকে পটোলের মূল্য পেলেও অবরোধের পর দরপতন শুরু হয়। তিন একর জমিতে পটোলের চাষাবাদ করে ৬০ হাজার টাকা খরচ হয়। আশা ছিলে ৩ লাখ টাকা আয় হবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত ১ লাখ টাকার পটোলও বিক্রি করতে পারিনি।

সৈয়দপুরের পাইকারি বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, মূলা, বেগুন ১০ টাকা কেজিতে, বাঁধাকপি, ফুলকপি ও লাউ প্রতি পিস ১৫-২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাইরে পাঠাতে না পারায় অন্যান্য সবজির দামও তুলনামূলকভাবে কমে গেছে। পাইকারি ব্যবসায়ী রনি জানান, দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতায় শাকসবজির দাম কমেছে। এতে করে কৃষকদের লোকসান গুনতে হচ্ছে।

সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ধীমান ভূষণ বলেন, কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা করায় এবার সবজির ভালো ফলন হয়েছে। কিন্তু দফায় দফায় অবরোধ ও হরতালে সমস্যায় পড়েছেন কৃষকরা। উৎপাদিত শাকসবজিতে লোকসান হলে তারা চাষে উৎসাহ হারিয়ে ফেলবেন।


এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

Theme Customized By Theme Park BD