বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন

ঢাকা বিমান বন্দরে স্বর্ণের বারসহ দুজন আটক

এখনই সময় ডেস্ক / ১৫
আপডেট : শনিবার, ১ মে, ২০২১, ১১:১৪ পূর্বাহ্ণ

মিরাজ সিকদার   -হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিন কেজি ৪শ গ্রাম ওজনের  ৩০ পিস সোনার বারসহ এক যাএী ও এক বিমানকমী’সহ দুই জনকে আটক করেছে

ঢাকা কাস্টম হাউস’ র (প্রিভেন্টিভ টিম)।

আটক যাএীর নাম মমেনুর রহমান ওরফে মমিনুর ও এয়ারলাইন্স কর্মীর নাম মো. নজরুল ফরাজি।

উদ্ধার করা ১৮ টুকরো সোনার পাতের মধ্যে  ১১৬ গাম করে ৩০ পিস বার রয়েছে।  জব্দ করা সোনার বাজার মূল্য প্রায় দুই কোটি ২১ লাখ টাকা।

শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার পর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে

গ্রিন চ্যানেল এলাকায় এ সোনা উদ্ধারের ঘটনা ঘটে।

ঢাকা কাস্টম হাউসের ডেপুটি কমিশনার (প্রিভেন্টিভ টিম)  মোহাম্মদ আব্দুস সাদেক আজ শনিবার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা কাস্টম হাউসের প্রিভেন্টিভ টিমের কর্মকর্তারা বিমানবন্দরের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নেন। শুক্রবার দিবাগত রাত (১ মে) রাত ১২ টা ৩০ মিনিটের দিকে সৌদি আরব থেকে আসা সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে ঢাকায় আসেন যাএী মমেনুর রহমান ওরফে মমিনুর রহমান। তাকে গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমে সহায়তা করে বিমানকর্মী মো. নজরুল ফরাজি। গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমকালে তাদের কাছে কোনও স্বর্ণ বা স্বর্ণালংকার আছে কিনা জানতে চাওয়া হলে তারা অস্বীকার করেন।

পরে যাত্রীর সঙ্গে থাকা ব্যাগ স্ক্যানিং করলে একটি চার্জার লাইটের মোটরের ভেতর সোনার বারের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। চার্জার লাইটের ব্যাটারির ভেতর থেকে প্রায় তিন কেজি ৪শ গ্রাম সোনা উদ্ধার করা হয়।

তার ভেতর ১৮ টুকরো সোনার পাত রয়েছে।

সোনার পাতের মধ্যে  ১১৬ গাম করে ৩০ পিস বার রয়েছে।  জব্দ করা সোনার বাজার মূল্য প্রায় দুই কোটি ২১ লাখ টাকা।

ডেপুটি কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুস সাদেক

জানান,  পাসপোর্ট অনুসারে যাত্রীর নাম মমিনুর রহমান এবং বিমানকর্মীর নাম নজরুল ফরাজি । উভয়ের বাড়ি নরসিংদী জেলায়।

আটককৃত স্বর্ণের বিষয়ে কাস্টমস আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিমান যাত্রীসহ বিমানকর্মীকে বিমানবন্দর থানায় সোপর্দ করা  হয়েছে। এ ঘটনায় কাস্টমস আইন ও

ফৌজদারি  আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এ জাতীয় আরও খবর
Theme Customized By Theme Park BD
x
%d bloggers like this:
x
%d bloggers like this: