বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:৫৪ অপরাহ্ন

অজপাড়া বিল পল্লি গ্রাম থেকে উপজেলা

এখনই সময় ডেস্ক / ২৬
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই, ২০২১, ৭:১৬ অপরাহ্ণ

বিশেষ প্রতিনিধি :

মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার একটি প্রত্যন্ত গ্রাম ডাসার।নব্বুই দশকের পূর্বে ডাসার ছিল বিলঝিল, জলাশয় নিমগ্ন নিম্নভূমি একটি নিভৃত পল্লি।রাস্তাঘাট বিচ্ছিন্ন ,অন্ধকারাচ্ছন্ন জনপদ,শিক্ষার অালো বঞ্চিত, কুসংস্কার কবলিত একটি অজ পাড়াগাঁ। কেউ কেউ এলাকাটি সন্ত্রাসকবলিত দ্বীপাঞ্চল বলেও জানতো।অাজ ডাসার শিক্ষার রোল মডেল,উন্নতর যোগাযোগ ব্যবস্হা,সামাজিক নিরাপত্তাসহ উন্নত জীবনযাপনের সকল উপকরণসহ অপার সৌন্দর্যময় পর্যটন নগরী।
একজন স্বপ্নচারী মানুষের হাতের ছোঁয়ায় মরিচা ধরা লৌহখণ্ড যেভাবে স্বর্ণে রূপান্তরিত হয় ঠিক তেমনিভাবে ডাসার অাজ অাধুনিক নগর সভ্যতার উত্তরণ ঘটিয়েছে।
সৈয়দ অাবুল হোসেন একজন সিংহপুরুষ।যিনি একাগ্র শ্রম,একনিষ্ঠ মেধা এবং একটি স্বপ্ন নিয়ে ডাসারের ত্রাণকর্তা হিসেবে অার্বিভূত হয়েছেন।
একটি নিভৃত পল্লি অাজ উন্নয়নের ফোকাল পয়েন্ট উপজেলায় উন্নীত হয়েছে।যার কারণে মাদারীপুর অাজ সি-গ্রেড জেলা থেকে বি-গ্রেড
জেলার মর্যাদা পেয়েছে।মাদারীপুরের অন্যকোনো রাজনৈতিক নেতার পক্ষে মাদারীপুরের মর্যাদা নিয়ে এধরনের পদক্ষেপ দেখা যায় না।ইতিহাস বলে,একসময় শরীয়তপুর জেলার পালং থানা(বর্তমান জেলা হেড কোয়াটার) এবং গোপালগঞ্জ থানা মাদারীপুরের গর্ভে ছিল।অাজ শরীয়তপুর ও গোপালগঞ্জ উপজেলার সংখ্যাধিক্ষের কারণে বি-গ্রেড জেলা অথচ মাদারীপুর সি-গ্রেড।স্বাভাবিক কারণে এটি মর্যাদাহানিকর নয় কি?এবিষটি মাদারীপুরের অন্যকোনো রাজনৈতিক নেতার কখনো দৃষ্টিগোচর হয়নি।দুরদৃষ্টিসম্পন্ন রাজনৈতিক নেতা বাংলাদেশের যুগশ্রেষ্ঠ শিক্ষা-উদ্যােক্তা এবং বাংলাদেশের বিদ্যাসাগর উপাধিতে ভাস্বর সৈয়দ
অাবুল হোসেন সেই স্বপ্ন দেখেছেন মাদারীপুরকে বি-গ্রেড জেলার মর্যাদায় উন্নীত করার।যদিও
তাঁর এ মহতি উদ্যোগ কতিপয় ছদ্মবেশী মানুষের অপরাজনীতির কারণে বাধাগ্রস্ত হয়েছে।কিন্তু তাঁর কর্মের দ্বারা এ অপশক্তি এখন পরাভূত ।বলা বাহুল্য,২০১৭ সালের অনুষ্ঠিত “নিকার”সভায় যেখানে ডাসার উপজেলা গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হবার সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল কিন্তু ছদ্মবেশী অপরাজনীতির কারণে সেই প্রক্রিয়া তখন বাস্তবায়িত হয়নি।
২০১২ সালে সৈয়দ অাবুল হোসেন যখন মন্ত্রীপরিষদেরর সদস্য ছিলেন তখন তাঁর প্রচেষ্টায় প্রথমে তদন্ত কেন্দ্র এবং পরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডাসার থানা উদ্বোধন করেন।২০১৩ সালে সৈয়দ অাবুল হোসেন উপজেলা গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করেন।কালকিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার,জেলা প্রশাসক,বিভাগীয় কমিশনার এবং স্হানীয় সরকার ও পল্লি উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের পর্যাক্রমিক
প্রতিবেদন এবং সুপারিশক্রমে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ এবং নিকার সভায় প্রস্তাবটি উপস্হাপিত হয় কিন্তু সেই ছদ্মবেশী অপরাজনীতির ব্যক্তিগত
হস্তক্ষেপের কারণে জন্ম নেয়ার পূর্বই সেই শিশুর মৃত্যু ঘটে।সৈয়দ অাবুল হোসেন পরাজিত হরার ব্যক্তি নন।অলিম্পিকের সেই মন্ত্র “অারো দ্রতগামী অারো শক্তিমান” এবং গুলি খাওয়া বাঘের মতো অারো শক্তিশালী মনবল নিয়ে পুনরায় শুরু করেন নতুন উদ্যোগ।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সর্বনিম্ন পর্যায় পর্যন্ত ব্যাক্তিগত উদ্যোগে দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।তাঁর সকল প্রচেষ্টায় তাঁর মেধা,দুরদৃষ্টি এবং সময়-উপযোগী সিদ্ধান্তে কর্মপদ্ধতি এগিয়ে চলে।তিনি সার্বক্ষণিকভাবে একাজ দেখবাল করেন দেশে-বিদেশে থেকে।যতক্ষণ অভিষ্ট লক্ষ
অর্জিত না হয় ততক্ষণ তিনি ব্যাস্ত থাকেন একাজ নিয়ে।তাঁর একটি মাত্র ভয় যদি ছদ্মবেশী সেই অপশক্তি যদি অাবার মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে।
তিনি নিম্নস্তর থেকে সর্বচ্চো পর্যায় পর্যন্ত সকলের সহযোগিতা পেয়েছেন।এতে প্রতীয়মান হয় তাঁরা তাঁকে কতটা শ্রদ্ধা করেন,ভালোবাসেন।
অবশেষে তিনি বিজয়ী হলেন।মাদারীপুর বি-গ্রেড
জেলার মর্যাদায় অভিষিক্ত হলো।নিভৃত পল্লি ডাসার উপজেলার জন্ম হলো।বিজয়ী হলেন সৈয়দ অাবুল হোসেন


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এ জাতীয় আরও খবর
Theme Customized By Theme Park BD
x
%d bloggers like this:
x
%d bloggers like this: